1. anikaslifebd@gmail.com : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika
  2. khs@professionals.com.bd : bestnews : Khundkar Hasan Shahriyar
  3. khs85bd@gmail.com : Hasan Shahriyar : Khundkar Hasan Shahriyar
  4. rafat0071@gmail.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরওয়েতে শেষ হলো জাতিসংঘের ২০তম ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের বার্ষিক সভা অবিশ্বাস্য মূল্যে অপোর অনবদ্য ডিভাইস নেপাল কে হারিয়ে ফাইনালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার পথে বাংলাদেশ বিএনপিকে নিয়ে একটি মহলের মিথ্যাচার ও স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে অপপ্রচার অতুলনীয় ডিজাইন ও মুগ্ধতাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে আসছে ‘অপো এ৫ প্রো’ মুশফিক-শান্তদের বেতনের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়ছে ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ইরানের অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের কাছে অপদস্থ হওয়ার পরও খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরে প্রস্তুত ইউক্রেন

বারাক ওবামার নতুন লক্ষ্য

বেস্ট নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ জানুয়ারী, ২০১৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে নিজের শেষ বছরে পা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কয়েকদিন পরই চূড়ান্ত ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেবেন তিনি। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, কিউবায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা ও ফৌজদারি বিচার-সংক্রান্ত আইনে সংস্কারের মতো বিষয়গুলো তাতে অগ্রাধিকার পাবে। ওবামার সামনে এখন লক্ষ্য একটাই; সেটা হলো, বাকি মেয়াদের পুরো সময়ে প্রাসঙ্গিক থাকা।

স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ হলো মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ভাষণ। এমন ভাষণ বছরে একবার দিয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই হিসাবে ১২ জানুয়ারি সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ হবে ওবামার শেষ স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ। এমন এক সময়ে তিনি এই ভাষণ দিতে যাচ্ছেন, যখন হোয়াইট হাউসে তাঁর উত্তরসূরি হওয়ার জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ওবামার ১২ জানুয়ারির চূড়ান্ত ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন ও কিউবা নীতির মতো অগ্রাধিকারভিত্তিক বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি ওবামা নিজের শেষ দিনগুলোতে যেসব নীতির চূড়ান্ত পরিণতি দেখতে চান, তার ওপর আলোকপাত করবেন। এর বাইরে দেশে একের পর এক সহিংস ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন করে আহ্বান জানাবেন।

 

কংগ্রেসের উভয় কক্ষ রিপাবলিকানদের দখলে থাকায় ওবামা অতীতে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিতে পারেননি। তবে শিগগিরই নতুন ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে ওবামা বলেছেন, আগামী সোমবার তিনি এই বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে বসবেন।
দপ্তর ছাড়ার আগেই ওবামা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন—কিউবার গুয়ানতানামো বের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা। এই বিষয়ে একটি সংশোধিত পরিকল্পনা শিগগিরই কংগ্রেসে তুলতে পারে হোয়াইট হাউস। তবে ওই পরিকল্পনার বিরোধিতা করা থেকে আইনপ্রণেতারা সরে আসবেন বলে মনে করছেন না ওবামার সহযোগীরা। গুয়ানতানামো বে ঘাঁটির বিষয়ে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়টি এখনো হোয়াইট হাউসে প্রকাশ্য আলোচনায় নেই। তবে ওবামার সহযোগীরা বলছেন, এ বছর শেষ হওয়ার আগেই ওবামা সেই লড়াইয়ে নামবেন, তা সন্দেহাতীত। সাবেক উপদেষ্টা এবং ২০০৮ ও ২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ওবামার সেনাপতিদের একজন ডেভিড অ্যাক্সেলর্ড বলেন, প্রেসিডেন্টরা সব সময়ই প্রাসঙ্গিক থাকেন। আর বর্তমান প্রেসিডেন্ট তাঁর সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সব আইনগত কর্তৃত্ব ব্যবহারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© ২০১৫-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |