1. anikaslifebd@gmail.com : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika
  2. khs@professionals.com.bd : bestnews : Khundkar Hasan Shahriyar
  3. khs85bd@gmail.com : Hasan Shahriyar : Khundkar Hasan Shahriyar
  4. rafat0071@gmail.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরওয়েতে শেষ হলো জাতিসংঘের ২০তম ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের বার্ষিক সভা অবিশ্বাস্য মূল্যে অপোর অনবদ্য ডিভাইস নেপাল কে হারিয়ে ফাইনালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার পথে বাংলাদেশ বিএনপিকে নিয়ে একটি মহলের মিথ্যাচার ও স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে অপপ্রচার অতুলনীয় ডিজাইন ও মুগ্ধতাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে আসছে ‘অপো এ৫ প্রো’ মুশফিক-শান্তদের বেতনের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়ছে ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ইরানের অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের কাছে অপদস্থ হওয়ার পরও খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরে প্রস্তুত ইউক্রেন

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন

বেস্ট নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে ১২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের তিন মামলায় তিন ব্যাংকারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নকল কার্ড বানিয়ে গ্রাহকের পাসওয়ার্ড (গোপন নম্বর) ব্যবহার করে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন ব্যাংকেরই কর্মকর্তারা। আজ মঙ্গলবার কমিশন এ অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে। শিগগিরই সংস্থার উপপরিচালক মো. ইব্রাহীম বিচারিক আদালতে তিনটি অভিযোগপত্র জমা দেবেন বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড শাখার কর্মকর্তারা গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করে অত্যন্ত কৌশলে মোট ১২ কোটি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ওই জালিয়াতির ঘটনাগুলো ঘটলেও তা ধরা পড়ে ২০১২ সালে। পরে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে কোন কর্মকর্তা কবে গ্রাহকের ২৯টি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ভুয়া এন্ট্রি দিয়ে বিভিন্ন বুথ থেকে টাকা তুলে নেন, সেসব তথ্য ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালে গুলশান মডেল থানায় তিনটি মামলা করে।

ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অপরাধ দুদক আইনের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ওই সব মামলা তদন্তের জন্য দুদকে পাঠানো হলে সংস্থার উপপরিচালক মো. ইব্রাহীম তদন্তের দায়িত্ব পান। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দেওয়ার সুপারিশসহ তিনি কমিশনে প্রতিবেদন জমা দিলে কমিশন তা অনুমোদন দেয়।

একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংকটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদুল হক, গুলশান শাখার সিনিয়র অফিসার মারুফ হায়দার ও মো. সহিদুল্লাহ এবং এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. জাহিদ হোসেন ঠাকুর ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এঁদের মধ্যে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদুল হক মারা যাওয়ায় তাঁকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আরেক মামলায় অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তাদের ঘনিষ্ঠ রাজধানীর কাঁঠালবাগানের আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ৪টি ক্রেডিট কার্ডে ১ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার ১০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। ২০১০ সালের অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এ মামলাতেও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদুল হককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় ৪টি ক্রেডিট কার্ডে ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদুল হকের ভাই নাজিবুল হককে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© ২০১৫-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |