1. anikaslifebd@gmail.com : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika
  2. khs@professionals.com.bd : bestnews : Khundkar Hasan Shahriyar
  3. khs85bd@gmail.com : Hasan Shahriyar : Khundkar Hasan Shahriyar
  4. rafat0071@gmail.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরওয়েতে শেষ হলো জাতিসংঘের ২০তম ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের বার্ষিক সভা অবিশ্বাস্য মূল্যে অপোর অনবদ্য ডিভাইস নেপাল কে হারিয়ে ফাইনালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার পথে বাংলাদেশ বিএনপিকে নিয়ে একটি মহলের মিথ্যাচার ও স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে অপপ্রচার অতুলনীয় ডিজাইন ও মুগ্ধতাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে আসছে ‘অপো এ৫ প্রো’ মুশফিক-শান্তদের বেতনের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়ছে ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ইরানের অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের কাছে অপদস্থ হওয়ার পরও খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরে প্রস্তুত ইউক্রেন

একদিনের জন্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রবজ্যোতি

বেস্ট নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ২ মার্চ, ২০১৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে বাড়ির পথে যখন হাটছিলেন তখন কিশোর পিজের মাথায় একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছিল। অটোয়ায় পার্লামেন্ট হিলে এক রাতের জন্য সে কি সত্যি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছিল। নিজেকে বিশ্বাস করতে না পেরে শরীরে চিমটিও কাটেন এই কিশোর। পরে নিশ্চিত হন সত্যিই একদিনের জন্য হলেও কানাডার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন প্রবজ্যোতি লক্ষণ পাল।

এজন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মেক এ উইশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ওই কিশোর। তিন বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছে সে।

পালের বাবা সুরিন্দর লক্ষণ পাল। ১৯৮৮ সালে পিজের দাদা পাঞ্জাবের মান্ডি আহমেদগড় থেকে কানাডায় চলে আসেন। বর্তমানে তারা ব্রমপটনের বাসিন্দা। সুরিন্দর জানান, আড়াই বছর আগে তার ছেলে যখন হাসপাতালে তখন কানাডার সংস্থা ‘মেক এ উইশ’র সঙ্গে তাদের পরিচয়। সংস্থাটি যে সব শিশু-কিশোর মরণব্যাধিতে আক্রান্ত তাদের ইচ্ছে পূরণের চেষ্টা করে। এ সংস্থার কাছে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল প্রবজ্যোতি লক্ষণ পাল। পরে ওই সংস্থার পক্ষ থেকেই কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

স্বপ্ন পূরণের ব্যবস্থা পাকা হয়ে গেছে জানার পর ছেলে, স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে অটোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন সুরিন্দর। টরেন্টো বিমানবন্দরে যখন নামেন তখন সেখানে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা অপেক্ষা করছিলেন। এরপর একটি কনভয় পালকে প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় তাকে নিয়ে যায় পার্লামেন্ট হিলের কাছে শাতু লরিয়ে হোটেলে। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে তার থাকার ব্যবস্থা হয়। পরদিন কানাডার গভর্নর জেনারেল ডেভিড জনস্টন প্রবজ্যোতিকে অভ্যর্থনা জানান।

প্রবজ্যোতি চায় বড় হয়ে সে একজন সফল রাজনীতিক হবে। দেশের সেবা করবে। সেই স্বপ্ন একদিনের জন্য যে পূর্ণ হয়েছে, তাতে খুশি সে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© ২০১৫-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |