1. anikaslifebd@gmail.com : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika
  2. khs@professionals.com.bd : bestnews : Khundkar Hasan Shahriyar
  3. khs85bd@gmail.com : Hasan Shahriyar : Khundkar Hasan Shahriyar
  4. rafat0071@gmail.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরওয়েতে শেষ হলো জাতিসংঘের ২০তম ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের বার্ষিক সভা অবিশ্বাস্য মূল্যে অপোর অনবদ্য ডিভাইস নেপাল কে হারিয়ে ফাইনালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার পথে বাংলাদেশ বিএনপিকে নিয়ে একটি মহলের মিথ্যাচার ও স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে অপপ্রচার অতুলনীয় ডিজাইন ও মুগ্ধতাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে আসছে ‘অপো এ৫ প্রো’ মুশফিক-শান্তদের বেতনের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়ছে ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ইরানের অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের কাছে অপদস্থ হওয়ার পরও খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরে প্রস্তুত ইউক্রেন

মিস ফিল্ডিং আর ক্যাচ মিসেই হারলো বাংলাদেশ

বেস্ট নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

মো: জোনায়েত হোসেন: ৬ষ্ঠ ওভারে বল করতে এসেছিলেন মুস্তাফিজ। শেষ বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন শেন ওয়াটসন। অনেক ওপরে উঠলেও জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে ক্যাচটা মিস করে ফেললেন মোহাম্মদ মিঠুন। ১৮তম ওভার। বল করছেন সাকিব আল হাসান। তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে দিলেন জন হাস্টিংস। সহজ ক্যাচটা তালুতে নিয়েও ছেড়ে দিলেন আল আমিন হোসেন। ৫ম বলেই রান আউটদের দারুণ সুযোগ। মিস করে ফেললেন মুশফিক। এরপরের বলেই আউট হলেন হাস্টিংস।

তিনটি ক্যাস মিস আর রানআউটের সুযোগ মিসই নয়। পুরো ম্যাচেই খুবই বাজে ফিল্ডিং করেছে বাংলাদেশ। যে বাউন্ডারিটা আটকানো যেতো, সেটাকে আটকাতে পারলো না। এভাবেই একের পর এক ক্যাচ মিস আর মিস ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিতে হলো বাংলাদেশকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ এক জয়ের সম্ভাবনা থাকলেও ক্যাচ মিস আর মিস ফিল্ডিংয়ের কারণে জয়টা পেলো না বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে জয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ হেরেছিল পাকিস্তানের কাছে। এই ম্যাচটি ছিল দু’দলের সামনেই সেমিতে টিকে থাকার জন্য দারুণ এক সুযোগ। কিন্তু সুযোগটা হেলায় হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশ। ক্যাচগুলো মিস না হলে, ফিল্ডিংগুলো যথাযথভাবে করতে পারলে নিশ্চিতই দুর্দান্ত জয়টা পেয়ে যেতেন মাশরাফিরা; কিন্তু, সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পেরে পরাজয়কেই বরণ করে নিতে হলো টিম বাংলাদেশকে।

অথচ ১৫৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করলেও মুস্তাফিজ, আল-আমিন এবং সাকিব আল হাসানের বোলিংয়ে বিপদেই পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের মাঝপথে এই তিন বোলারের দারুণ বোলিংয়ে অসাধারণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমে মুস্তাফিজ বোল্ড করলেন স্মিথকে। এরপর উসমান খাজাকে বোল্ড করলেন আল আমিন। ডেভিড ওয়ার্নারকে রিটার্ন ক্যাচে পরিণত করেন সাকিব আল হাসান। শেষ দিকে ক্যাচ আর মিস ফিল্ডিংগুলো না হলে বাংলাদেশই জিততো।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ১৫৬ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েও শুরু থেকে স্বস্তি পাচ্ছিলো না বাংলাদেশ। দুই ওপেনার উসমান খাজা এবং শেন ওয়াটসন মিলে অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে যায় সহজ জয়ের দ্বারপ্রান্তেই। ১৫৬ রান যেন অস্ট্রেলিয়ার কাছে মামুলিই মনে হচ্ছিলো।

তবে, খেলার অষ্টম ওভারে এসে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেটের পতন ঘটায় বাংলাদেশ। শেন ওয়াটসনকে রানআউট করে ফেরান সাব্বির রহমান এবং মুশফিকুর রহিম। তার আগেই অবশ্য ৬ষ্ঠ ওভারের শেষ বলেই ক্যাচ তুলেছিলেন শেন ওয়াটসন। মুস্তাফিজের বলে আকাশে ওঠা ক্যাচটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন মোহাম্মদ মিঠুন।

দলীয় ৬২ রানে আউট হন ওয়াটসন। এ সময় ১৫ বলে ২১ রান করেন তিনি। ওয়াটসন আউট হলেও এক প্রান্তে ঝড় তুলে যান উসমান খাজা। ইতিমধ্যে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেছেন তিনি। অপর ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। উসমান খাজা আউট হন ৪৫ বলে ৫৮ রান করে। ২৬ রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ওয়াটসন করেন ২১ রান।

বাংলাদেশের বোলার সাকিব আল হাসান ৩টি, মুস্তাফিজ ২টি এবং আল আমিন নেন ১টি উইকেট।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে জিততে হলে করতে হবে ১৫৭ রান।

শুরুতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকলেও শেষ দিকে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ঝড়ে বাংলাদেশ লড়াকু স্কোর পেয়ে যায়। ২৯ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থেকে যান মাহমুদুল্লাহ। আফসোস এক রানের জন্য। না হয় টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরিটা পেয়েও যেতে পারতেন তিনি। ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে একটি ছক্কা মারেন তিনি। সাকিব আল হাসান করেন ২৫ বলে ৩৩ রান। ২২ বলে ২৩ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন। ১০ বলে ১৩ রান করেন শুভাগত হোম। সাব্বির রহমান আউট হন ১৭ বলে ১২ রান করে। মুশফিক অপরাজিত থাকেন ১১ বলে ১৫ রান।

তামিম না থাকাতে যেন ব্যাটিংয়ের অর্ধেক শক্তিই নাই হয়ে গেলো বাংলাদেশের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে যেন তারই প্রতিচ্ছবি তুলে ধরলেন সৌম্য সরকার। তামিম না থাকায় সৌম্যর সঙ্গে ইনিংস ওপেন করতে নামেন মোহাম্মদ মিঠুন। অস্ট্রেলিয়ার বোলার কাউল্টার নেইলকে মোকাবেলা করেন মিঠুন। প্রথম বলে ১ রান। পরের ৫ বল থেকে আসে আর একটি রান। দ্বিতীয় ওভারে বল করতে আসেন শেন ওয়াটসন। প্রথম বলে আউট সুইং।

দ্বিতীয় বলটাও ওয়াটসন দিলেন স্ট্যাম্পের অনেক বাইরে। মারার মত বল পেয়ে লোভ সামলাতে পারলেন না সৌম্য সরকার। খেললেন পয়েন্ট। কিন্তু দুর্ভাগ্য, দুর্দান্ত একটি শট আরও দুর্দান্ত একটি ক্যাচে পরিণত হলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের হাতে। ২ রানেই পড়লো বাংলাদেশের প্রথম উইকেট।

সৌম্য আউট হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ মিঠুন এবং সাব্বির রহমান। ইনফর্ম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাব্বিরের ওপর বেশ প্রত্যাশা তখন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের। দুটি বাউন্ডারি মেরে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলনও ঘটাতে শুরু করলেন যেন সাব্বির। কিন্তু সেই ওয়াটসনের হাতে আবারও ধরা পড়লেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানটি।

৬ষ্ঠ ভারের প্রথম বলেই ওয়াটসনের স্লোয়ার ডেলিভারিটিকে সজোরে হাঁকাতে গিয়েছিলেন; কিন্তু ব্যাটের উপরের অংশে লেগে বল মিড অনে ক্যাচ উঠে যায়। ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি লুফে নেন জেমস ফকনার। ১৭ বলে ১২ রান করে আউট হয়ে যান সাব্বির। এরপর আউট হন মোহাম্মদ মিঠুন, সাকিব আল হাসান এবং শুভাগত হোম।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© ২০১৫-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |