ইশতিয়াক আহমেদ: খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির আমলে সন্ত্রাসের বীজ বপন করা হয়েছে। এখন তা প্রস্ফুটিত হয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এদের প্রধান টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের হলরুমে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আয়কর বার্তার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এডভোকেট নুর মোহাম্মদ হাওলাদার। এ সময় ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্বাস উদ্দিন, ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সরদার আকিল আহমেদ ফারুকী, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল ইয়ার্স এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এডভোকেট মো: আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল ইয়ার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ শাহাদাত, সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক এডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ, সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব এডভোকেট বিধান বিহারী গোস্বামী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ ঢাকা ট্যাকসেস বার ইউনিটের সদস্য সচিব এডভোকেট সুফী আল মামুন, ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের আইসিটি কমিটির সদস্য এবং বেস্ট নিউজ ডট কম ডট বিডির সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার হাসান শাহরিয়ার, ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের আইসিটি ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ ট্যাক্স ল ইয়ার্স এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ থেকে ২০০৬ এই দুই মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে দলটি একটি গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক আচরণ করেছে। কিন্তু দ্বিতীয় মেয়াদে জামায়াত নামক সন্ত্রাসী দলকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় এসে তাদের রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও জ্বালাও-পোড়াও বেছে নেয়।
কামরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলায় মোস্তাক, জিয়াসহ আরো অনেকের নাম এসেছিল। কিন্তু মৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চারশিট দেওয়া হয় না। তাই তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়নি।