হাবিবা রোকসানা পিংকিঃ পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পিরোজপুর জেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন বর্তমানে আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত অবস্থায় রয়েছে। তার অনুসরণীয় নেতৃত্বের ফলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বর্তমানে আরও বেশি রাজনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মীদের দাবী, পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরের কোন্দল অনেকটাই নিরসন করতে সক্ষম হয়েছেন শ ম রেজাউল করিম। এতে করে সাধারণ মানুষও রাজনীতি করার উৎসাহ ফিরে পেয়েছে।
আওয়ামী লীগের ঘাটি পিরোজপুরে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সমস্যা প্রকট আকারে ছিল। এর ফলে অনেক ত্যাগী নেতকর্মীরাই তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারতো না। দলের রাজনীতির ব্যাপারে অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। কিন্তু গত ১ বছরে সেই সব নেতাকর্মীরা আবার রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পিরোজপুরের রাজনীতিতে চলছে একটি সুন্দর পরিবেশ।
শ ম রেজাউল করিমের নেতৃত্বের প্রশংসা করে পিরোজপুর জেলা যুবলীগ সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান ফুলু বলেন, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমন পরিচ্ছন্ন লোকের প্রয়োজন ছিল অনেক আগেই। তিনি এমপি ও মন্ত্রী হওয়ার কারণে পিরোজপুরে কোন সিন্ডিকেট টেন্ডার বা নিয়োগ বাণিজ্য হচ্ছে না। দলের নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে আনন্দ পাচ্ছে।
পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী বলেন, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সময়ে থেকেই এই জনপদ আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু এরই মাঝে দলের ঐক্যের অভাবে ও সঠিক নেতৃত্ব না থাকায় একাত্তরের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পরপর দুইবার (১৯৯৬ ও ২০০১) এমপি হন। এরপর দশ বছর আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ থাকলেও সেই অর্থে চোখে পড়ার মত কোন উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সংসদ সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম পিরোজপুর আওয়ামী লীগের হাল ধরে অতীত আওয়ামী লীগের হারানো গৌরবকে ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছেন। আমরা জেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মী শ ম রেজাউল করিমের নেতৃত্বে দলকে সু সংগঠিত করে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করে তুলব।
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, প্রথমবারের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া এ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী যে বিশ্বাস নিয়ে অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম কে এ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তা তিনি যথাযথ ভাবে পালন করে যাচ্ছেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এর হাত ধরে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ এখন যে কোন সময়ের থেকে শক্তিশালী ও সু সংগঠিত। আগে এ জনপদে অনেক মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করলেও তাদের উন্নয়ন ছিল নির্বাচনী এলাকা কেন্দ্রীক। কিন্তু বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম কোন অঞ্চলের মন্ত্রী নন বরং পিরোজপুর তথা সারা দেশের মন্ত্রী হিসেবে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার বলেন, শ ম রেজাউল করিম প্রথমবারের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রি হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথম দশ মাসেই একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন। যা এই জনপদের জন্য একান্ত প্রয়োজন ছিল। তিনি শুধু উন্নয়নের চমক দেখিয়েই যাচ্ছেন না দলকে সুসংগঠিত করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
স্বরূপাকাঠী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রবীণ নেতা আ. হামিদ বলেন, আমি ১৯৬৯ সাল থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সদস্য হিসেবে আছি। শ ম রেজাউল করিম এমপি হওয়ার পর এখানের দলের কর্মীদের ভিতর প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দল আজ সুসংগঠিত।
জেলা আওয়ামী লীগ নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, আমি চাচ্ছি পিরোজপুরের আওয়ামী লীগ ও পিরোজপুরকে ঢেলে সাজাতে। সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে। কেউ আমার রাজনীতি করুক, এটা আমি চাই না। সবাই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের আদর্শ লালন করে দল করুক এটাই আমার কামনা।