1. anikaslifebd@gmail.com : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika : Khundkar Ayesha Shahriyar Anika
  2. khs@professionals.com.bd : bestnews : Khundkar Hasan Shahriyar
  3. khs85bd@gmail.com : Hasan Shahriyar : Khundkar Hasan Shahriyar
  4. rafat0071@gmail.com : Ashiqur Rahman : Ashiqur Rahman
সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরওয়েতে শেষ হলো জাতিসংঘের ২০তম ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের বার্ষিক সভা অবিশ্বাস্য মূল্যে অপোর অনবদ্য ডিভাইস নেপাল কে হারিয়ে ফাইনালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার পথে বাংলাদেশ বিএনপিকে নিয়ে একটি মহলের মিথ্যাচার ও স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যকে নিয়ে অপপ্রচার অতুলনীয় ডিজাইন ও মুগ্ধতাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে আসছে ‘অপো এ৫ প্রো’ মুশফিক-শান্তদের বেতনের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়ছে ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল ইরানের অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের কাছে অপদস্থ হওয়ার পরও খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরে প্রস্তুত ইউক্রেন

অনলাইনে কোর্ট ফি দেয়ার বিধান রেখে সংসদে বিল

বেস্ট নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

সংসদ প্রতিবেদক: কোন হয়রানি ছাড়া অনলাইনে কোর্ট ফি জমা দেয়ার বিধান রেখে কোর্ট ফি’স (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। আইনে কোর্ট ফি আদায়ের জন্য সরকার তফসিলী ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর, মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস প্রোভাইডার অথবা সরকার নিয়োজিত এজেন্ট নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। সরকার অনুমোদিত কোন এজেন্ট ছাড়া অপর কেউ স্ট্যাম্প বিক্রি করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান বিলে সংযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার বিলটি উত্থাপন করেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

দেশের বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে সহজে, কম খরচে, দ্রুত ও কোন হয়রানি ছাড়া কোর্ট ফি জমা দিতে পারেন সেজন্য ১৪৬ বছর পর এ আইনের সংশোধন সংসদে উত্থাপিত হলো। বিলে বলা হয়েছে, স্ট্যাম্পের সংকট দেখা দিলে অনলাইনে ষ্টাম্পের জন্য জমা দেয়া টাকার রশিদ কার্যকর বলে গণ্য হবে।

বিলের উদ্দেশ্যে ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন প্রকার ফি দেয়ার প্রয়োজন হয়। নামজারী, জমির পর্চা ইত্যাদি সেবাসহ সব প্রকার মামলার কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। কিন্তু সহজলভ্য না হওয়ায় কোর্ট ফি প্রদানের সময় সাধারণ জনগণ অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হয়। জনগণের হয়রানি রোধকল্পে, সহজেই এবং দ্রুততার সঙ্গে জনসেবা পৌঁছে দেয়ার স্বার্থে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে/ অনলাইনে কোর্ট ফি জমার সুযোগ সৃষ্টি করতে বিদ্যমান দ্যা কোর্ট ফি’স এ্যাক্ট ১৮৭০-এর সংশোধনী আনা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা গেলে কোর্ট ফি ছাপানো, সংরক্ষণ ও পরিবহনের বিশাল ব্যয়-হ্রাসসহ জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হবে।

একই সঙ্গে তা দেশের সব শ্রেণির মানুষকে বিভিন্ন প্রয়োজনে কোর্ট ফি জমা দিতে অহেতুক ভোগান্তি থেকে রক্ষা করবে এবং নাগরিক সাধারণের ই-সেবা প্রাপ্তি সহজলভ্য হবে বিধায় আইনটি সংশোধন/ প্রতিস্থাপন/ সংযোজন করা প্রয়োজন। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরো অর্থবহ করে তোলার জন্য উক্ত আইনের সংশোধন আবশ্যক। পরে পরীক্ষাপূর্বক আগামী ২১ দিনের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট প্রদাণের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© ২০১৫-২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |