মো: গোলাম রাশেদ: আসন্ন ২০১৬ সালের হজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালনের জন্য মন্ত্রণালয় ও সংসদীয় কমিটি একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। হজের বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে কমিটির সকল সদস্য জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
জাতীয় সংসদ ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৮তম বৈঠকে এই ঐক্যমত হয়। কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য এ.কে.এম.এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, মোহাম্মদ আমির হোসেন এবং দিলারা বেগম বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে হজ কার্যক্রমকে সঠিকভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকারিভাবে গমনেচ্ছু হজ যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত কোটা পূরণ না হলে সেই কোটা খালি রাখার সুপারিশ করা হয়। বেসরকারিভাবে গমনেচ্ছু হজ যাত্রীদের মাধ্যমে সেই কোটা কোনভাবেই পূরণ না করার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে হজ যাত্রীদের কাছ থেকে খরচ বাবদ সংগৃহীত টাকা হজ এজেন্সি অব বাংলাদেশের (হাব) একাউন্টে কোনভাবেই জমা না রাখার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া হজ যাত্রীদের জন্য তৈরি করা ব্যাগের নমুনা এ সংক্রান্ত সংসদীয় সাব-কমিটির কাছে উপস্থাপন করে মান যাচাইয়ের মাধ্যমে সরবরাহ করার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে কালো তালিকাভুক্ত ও অভিযুক্ত ১০৪টি হজ্জ এজেন্সি নিয়ে আলোচনা হয় । হজ এজেন্সিগুলোর জরিমানা সম্পর্কে সংসদের ফ্লোরে ধর্মমন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত জরিমানার পরিমাণের সাথে কমিটির নিকট মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত জরিমানার পরিমাণ কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ তা খতিয়ে দেখে কমিটির পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেয়ার সুপারিশ করা হয়।