ইনা ফারজানা: কুমিল্লা সেনানিবাসে সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ-হত্যার কারণ ‘নির্ণয় করতে না পারার’ দ্বিতীয় ময়নাতদন্তও প্রত্যাখ্যান করেছে নারী সংহতি। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি শ্যামলী শীল ও সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা দেব প্রত্যাখ্যানের বিষয়টি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, তনু হত্যার ৭৫ দিন পর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে রোববার। এতেও তনুর মৃত্যুর কারণ বলা হয়নি। ময়নাতদন্তে তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণ হয়েছে কি না তা না বলতে পারায় মেডিকেল বোর্ডের সদিচ্ছা ও বস্তনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তনু ধর্ষণ-হত্যায় জড়িতদের এখনো চিহ্নিত না করতে পারা ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের মৃত্যুর কারণ প্রকাশ নিয়ে টালবাহানা অপরাধীদের রক্ষা করার ঘৃণ্য চেষ্টা। সেইসঙ্গে বিদ্যমান সমাজ-রাষ্ট্রের পুরুষতান্ত্রিক নিপীড়নমূলক কাঠামো ও বিচারহীনতার অশালীন বহিঃপ্রকাশ।
তারা আরো বলেন, সেনানিবাসে ঘটা তনুর ধর্ষণ-হত্যায় যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় না আনা হলে এ ধরণের জঘণ্য ঘটনা আরো ঘটতে থাকবে এবং এ দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা করার আর কোনো কারণ থাকবে না।
নারী সংহতির নেতারা বলেন, অপরাধীরা যে রংয়ের পোশাক পরে থাকুক না কেন আর যেকোনো ক্ষমতাসীন দলেরই হোক না কেন, ধর্ষণ-নিপীড়নের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি দিতে হবে। নেতারা অবিলম্বে সোহাগী জাহান তনুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আটক ও শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।