ক্রীড়া প্রতিবেদক: আরব আমিরাতের বিপক্ষে হারের পর বাছাইপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে আফগানিস্তান। নুর আলী জরদানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ওমানকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে আফগানরা। এ জয়ে চূড়ান্ত পর্বে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখলো সহযোগী এ দেশটি।
শনিবার ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ওমান। ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় শুরুটা ভালোই করে ওমান। উদ্বোধনী জুটিতে ১০ ওভারে ৭২ রান সংগ্রহ করেন জিসান মাকসুদ ও জিতেন্দর সিং।
জিসান ৪২ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করেন। তিন নম্বরে নেমে ২৭ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আদনান ইলিয়াস। ৩টি চার এবং ৪টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এছাড়া আরেক ওপেনার জিতেন্দর সিং করেছেন ২৩ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান করে ওমান।
আফগানিস্তানের পক্ষে ২টি উইকেট নেন গুলাবদীন নায়েব। একটি করে উইকেট নিয়েছেন দৌলত জরদান ও আমির হামজা।
ওমানের দেওয়া ১৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আফগানিস্তানের। দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক আজগর স্ট্যানিকজাইকে সঙ্গে নিয়ে দপ্লের হাল ধরেন নুর আলী জারদান।
দলের পক্ষে ৫৪ রান যোগ করেন এ দুই ব্যাটসম্যান। এরপর দ্রুত তিন উইকেট হারালে কিছুটা চাপে পরে যায় আফগানরা। শেষ দিকে নাজিবুল্লাহ জারদানের ২১ বলে ২৩ রানে ভর করে ৩ উইকেট হাতে রেখে ৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় দলটি।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রান প্রয়োজন ছিল আফগানদের। দলের সেরা ছয় ব্যাটসম্যান তখন সাজঘরে। অজয় লালচেতার প্রথম বলেই আউট সামিউল্লাহ শেনওয়ারী। ব্যাটিংয়ে নামেন দৌলত জরদান। পর পর দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে অবিস্মরণীয় এক জয় এনে দেন আফগানদের।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন নুর আলী জারদান। ৪৪ বলে ৮টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে অধিনায়ক আজগর স্ট্যানিকজাইয়ের ব্যাট থেকে। ২৩ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৪ রান করেন তিনি। ওমানের পক্ষে বিল্লাল খান ও মেহরান খান ৩টি করে উইকেট পান।