মো: জোনায়েত হোসেন: ইডেন গার্ডেন্সে ভুমিকম্প আতঙ্ককে সঙ্গে নিয়েই খেলতে নেমেছে স্বাগতিক কেকেআর এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে গৌতম গম্ভীর এবং মানিষ পাণ্ডের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে মুম্বাইর সামনে ১৮৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তোলে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
ব্যাট করতে নামার পর ২১ রানের মাথায় রবিন উথাপ্পার উইকেট হারালেও গৌতম গম্ভীর আর মানিষ পাণ্ডে ১০০ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ৫২ বলে ৬৪ রান করেন গৌতম গম্ভীর। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ১টি ছক্কার মার। ২৯ বলে ৫২ রান করেন মানিষ পাণ্ডে। ৩টি করে চার এবং ছক্কার মার মারেন তিনি। ১৭ বলে ৩৬ রান করেন আন্দ্রে রাসেল।
শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে কলকাতা। মুম্বাইর হয়ে ২ উইকেট নেন ম্যাকক্লেনগান এবং ১টি করে উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং হরভজন সিং।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাইকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার পার্থিব প্যাটেল ও রোহিত শর্মা। ইনিংসের শুরু থেকে কলকাতার বোলারদের উপর চড়াও হন এই দুই ভারতীয়।
বিশেষ করে জন হেস্টিংস ও আন্দ্রে রাসেলের বিপক্ষে দ্রুত রান তুলে নেয় মুম্বাই। কিন্তু ইনিংসের ষষ্ট ওভারে অভিজ্ঞ ব্র্যাড হগের বলে রান আউট হন পার্থিব প্যাটেল। উইকেট পতনে কিছুটা ছন্দ হারালেও তরুণ প্রতিভাবান অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি গড়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন রোহিত।
ইনিংসের ১০ম ওভার শেষে মুম্বাইয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৭ রান ১ উইকেটের বিনিময়ে। ১১তম ওভারে চাওলার বলে হার্দিক পান্ডিয়া আউট হলে বিপদে পড়ে মুম্বাই। পরের ওভারে আবারো উইকেট হারায় মুম্বাই। কুলদিপ যাদবের বলে কিউই অলরাউন্ডার মিচেল ম্যাকক্লেনেগেন আউট ৮ বলে ২০ রান করে আউট হলে জয়ের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
কিন্তু ইংলিশ ম্যাচ জস বাটলারের সঙ্গে জুটি করে দলকে ম্যাচ ফেরায় রোহিত। ইনিংসের ১৪তম ওভারে নিজের অর্ধশতকে পৌঁছে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক। পরবর্তীতে বাটলারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে রান রেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে মুম্বাই।
ইনিংসের ১৯তম ওভারে জস বাটলারকে ফেরায় ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। ২২ বলে ৪১ রান করে বাটলার আউট হলেও মুম্বাই তখন জয়ের বন্দরে। পরবর্তীতে ইনিংসের ৫ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা ৫৪ বলে ৮৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন।