নিউজ ডেস্ক: শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুনের কাছে লেখা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফের চিঠি প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে জারিফ লেখেন, মনে হচ্ছে রিয়াদের কিছু মানুষ পুরো অঞ্চলকে সংকটের মধ্যে টেনে নামাতে চাইছে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি সৌদি আরবের শীর্ষ শিয়া নেতা নিমর আল-নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। এরপর ইরানের একদল বিক্ষোভকারী তেহরানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে ভাংচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের সঙ্গে সব ধরণের কূটনৈতিক ও বানিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। ওই অঞ্চলে সৌদি আরবের মিত্র দেশগুলোও ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জারিফ বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ দায় তিনি সৌদি আরবের ঘাড়ে চাপিয়ে বলেন, এই বিষয়ে ইরান কোনো ধরণের সমঝোতা করবে না। সৌদি আরব চরমপন্থি জঙ্গিদের সমর্থন জানানো এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষকে উস্কানি দেওয়া অব্যাহত রাখতে পারে অথবা প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। এই দুইটির মধ্যে একটি পথ তাদের বেছে নিতে হবে।
জারিফের অভিযোগ, আল-নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে এবং হজ্বের সময় ইরানের হজযাত্রীদের সঙ্গে ক্রমাগত দুর্ব্যবহারের মাধ্যমে সৌদি আরব সরাসরি শিয়া নেতৃত্বাধীন ইরান সরকারের বিরুদ্ধে ‘উস্কানি মূলক’ আচরণ করছে। চিঠিতে জারিফ লেখেন, আল কায়দা, তালেবান, ইসলামিক স্টেট এবং নুসরা ফ্রন্টের অধিকাংশ সদস্য সৌদি নাগরিক অথবা তেল বেঁচে অর্থের মালিক হওয়া নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়া।